May 26, 2022

৩ বছরে ফিলিস্তিনিকে ৩ মিলিয়ন ডলার দিয়ে সহায়তা করেছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো !

বিশ্বকাপের প্রীতি ম্যাচে ইসরায়েলি প্লেয়ারদের সাথে ক্ষোভে তিনি জার্সিও বদলান নি।

ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে মুসলিম হওয়া লাগে না। দরকার মানবতার !!

২০১০-১১ মৌসুমে রোনালদো তার অর্জিত গোল্ডেন বুটটি ফিলিস্তিনি মুসলমান অনাথ
শিশুদের চিকিৎসা ও শিক্ষা বাবাদ দান করেন যার মূল্য ১৫০ কোটি টাকা।
রোনালদো তার অর্জিত বাৎসরিক আয়ের একাংশ

মুসলিম এতিমখানা ও গির্জায় দান করেন।
এই উদারতা দেখে সৌদি রাষ্ট্রপতি তাকে উপহার হিসেবে পবিত্র কোরআন শরীফ দেন এবং রোনালদো তা সাদরে গ্রহন করেন।

মানচেস্টারের বাড়ি বিক্রি করে সিরিয়ায় ৫ হাজার ঘর তৈরি করে দেন রোনালদো। সিরিয়ার অসহায় মুসলিম বাচ্ছাদের পাশে ছিলেন তিনি
রোনালদো চ্যাম্পিয়ানস লীগ জয়ের জন্য দল থেকে যে টাকা পেয়েছিল,তা দাতব্য চিকিৎসালয়ে দান করেন ।
এক শিশুর ব্রেইন অপারেশনের জন্য নিজের অটোগ্রাফ সহ জার্সি এবং ব্রান্ডের একজোরা বুট বিক্রি করে টাকা দেন এই রোনালদো।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নেপালকে বাংলাদেশী টাকায় ৬১ কোটি ১৩ লক্ষ ৬৫ হাজার ৪ শত ৯৫ টাকা ২০ পয়সা দান করেছে ।

২০১২ সালে সবচেয়ে দানশীল ব্যাক্তিদের মধ্যে ১ম নামটা ছিলো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো গায়ে ট্যাটু করেন না এটা সবাই জানে।

আবার ২০১৬ ইউরোতে:
রোনালদোর ডান কানের পাশে দুটো দাগ দেখা গিয়েছে। আর এই হেয়ার কাট নিয়েই তৈরি হয়েছে জল্পনা। দেখা দিয়েছে কৌতূহল। রোনালদোর মাথায় দুটো দাগ কেন ? স্প্যানিশ এক ওয়েবসাইটের খবর অনুযায়ী রোনালদো মোটেও ফ্যাশন করে এ ভাবে চুল ছাঁটেন নি। এর পিছনে রয়েছে মানবিক কারণ। সেই গল্প শুনলে চোখে জল আসতে বাধ্য।

পর্তুগালের একটি শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত। সেই শিশুটির চিকিৎসার খরচ বহন করেছেন রোনালদো। খবর অনুযায়ী,সেই শিশুটি নাকি দুটো ক্ষত নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করে।

আর সেই শিশুটির জন্যই রোনালদো এমন ভাবে চুল ছেঁটেছেন। ডান কানের কাছে দুটো দাগ দেখা যাচ্ছে। অসুস্থ শিশুটির পাশে যে তিনি রয়েছেন,সেটাই ইউরোর ময়দানে স্পষ্ট করে দিলেন রোনালদো।
Cristiano Ronaldo
তিনি যেমন বিশ্বের সব থেকে দামী সেলিব্রিটি তেমনই বিশ্বের সব থেকে দানশীল সেলিব্রিটি।

Enamul হকুএ

আরও পড়ুন

পাঁচটি লক্ষ্য সামনে রেখে যেকারণে এবারের যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের বিজয় এতোটা গুরুত্বপূর্ণ

গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে ইহুদিবাদী ইসরাইল আবারো পরাজিত হয়েছে। কিন্তু ফিলিস্তিনিরা কিভাবে বিজয়ী হল এবং এর পেছনে কাদের ভূমিকা ছিল সেটাই আন্তর্জাতিক সংবাদ ও রাজনৈতিক মহলের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের বিজয়ের অন্যতম কারণ হচ্ছে যুদ্ধের ময়দানে সব সংগঠনগুলো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। অন্যদিকে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ফিলিস্তিনের মজলুম জনগণের প্রতি ইরানের সর্বাত্মক সাহায্য ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

এছাড়া ইসরাইলের বিরুদ্ধে ১২ দিনের প্রতিরোধ যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার ঘটনায় ফিলিস্তিনি জাতির পাশে থাকার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মহাসচিব জিয়াদ আন নাখালা।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে লেখা চিঠিতে তিনি আরো বলেছেন, তিনি ইসলামি জিহাদের পাশাপাশি ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষ থেকে ইহুদিবাদী শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনের বিজয় সর্বোচ্চ নেতাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

নাখালা তার চিঠিতে বলেন, ইসরাইলের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক অভিযান পরিচালনা এবং এর বিজয় ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। চিঠিতে তিনি আরো বলেন, ইহুদিবাদী শত্রুর কথিত সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব সত্বেও ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা পূর্ণ শক্তি, উদ্যোম ও সাহস নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন যার পেছনে ছিল ইরানের পরিপূর্ণ সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা।

এদিকে ফিলিস্তিনের সব প্রতিরোধ সংগঠনগুলো ইসরাইলের বিরুদ্ধে তাদের ধারাবাহিক যুদ্ধে বিজয়ের ক্ষেত্রে ইরানের মহাবীর শহীদ কাসেম সোলাইমানির ভূমিকা ও তার অবদানের কথা এক বাক্যে স্বীকার করেছে। কেননা গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধাদেরকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কাসেম সোলাইমানির বিরাট অবদান ছিল।

এদিকে ইরানে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের প্রতিনিধি নাসের আবু শারিফ বলেছেন, ইরানের সর্বাত্মক সাহায্য-সমর্থনের কারণেই ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ যোদ্ধারা দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ইরান প্রথম থেকেই ফিলিস্তিনিদের প্রতি রাজনৈতিক, আদর্শিক ও বস্তুগতসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সমর্থন জুগিয়ে এসেছে এবং সহযোগিতার এই ধারা সবসময় অব্যাহত থাকবে’।

বাস্তবতা হচ্ছে, জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ যোদ্ধাদেরকে সংগঠিত করা এবং তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রেখেছিলেন। আর এই কারণেই ইসরাইলের প্রধান-মিত্র মার্কিন সরকার সোলাইমানিকে হত্যা করে যাতে এ অঞ্চলের সমস্ত প্রতিরোধ শক্তিগুলোকে দুর্বল করা যায়। যদিও মার্কিন সরকার তাদের সে লক্ষ্যে আজ পর্যন্ত পৌঁছতে পারেনি।

গাজায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যকার যুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিরোধ শক্তির সামনে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে, সমগ্র মুসলিম বিশ্বে স্বাধীনতাকামী ও ন্যায়বিচারকামিদের মধ্যে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গড়ে তোলা। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধের ময়দানে বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কৌশল অবলম্বন করে আধিপত্যকামী শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস অর্জন করা। তৃতীয়ত, বিরাজমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সব মুসলমানদেরকে অবহিত করা ও সচেতন করা।

চতুর্থত, ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি জবরদখল ও হত্যা নির্যাতনের বিষয়টি সমগ্র মুসলিম বিশ্বের কাছে তুলে ধরা। এবং প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর পঞ্চম লক্ষ্য হচ্ছে, মুসলিম বিশ্বে বিরাজমান বিকৃতি ও গোঁড়ামি এবং ধ

Leave a Reply

Your email address will not be published.