May 20, 2022

বজ্রাঘাতের হটস্পট সিরাজগঞ্জ

চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বজ্রাঘাতে হতাহতের কোনো ঘটনা না থাকলেও মার্চ মাসের শেষের দিন থেকে মৃত্যুর ঘটনা শুরু হয়। এর পর থেকে চলতি জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত মারা যায় ১৭৭ জন।

চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বজ্রাঘাতে হতাহতের কোনো ঘটনা না থাকলেও মার্চ মাসের শেষের দিন থেকে মৃত্যুর ঘটনা শুরু হয়। এর পর থেকে চলতি জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত মারা যায় ১৭৭ জন।

দেশে গত চার মাসে বজ্রাঘাতে ১৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বজ্রাঘাতে পুরুষ মারা গেছেন ১৪৯ ও নারী ২৮ জন। এর মধ্যে শিশুর সংখ্যা ১৩, কিশোর ৬ ও কিশোরী রয়েছে তিনজন।

শুক্রবার (১১ জুন) সকালে সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের পক্ষ থেকে এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়।
ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কালবৈশাখীর মধ্যে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মারা গেছেন ১৫ জন। ঘরে অবস্থানকালে মারা গেছেন ১০ জন। নৌকায় মাছ ধরার সময় বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে ছয়জনের। মাঠে গরু আনতে গিয়ে মারা গেছেন পাঁচজন। মাঠে খেলা করার সময় তিনজন ও বাড়ির আঙিনায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ভ্যান-রিকশা চালানোর সময় দুজন এবং গাড়ির ভেতরে অবস্থানকালে মৃত্যু হয়েছে একজনের।

অন্যদের মৃত্যু কোথায় হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বজ্রাঘাতে হতাহতের কোনো ঘটনা না থাকলেও মার্চ মাসের শেষের দিন থেকে মৃত্যুর ঘটনা শুরু হয়। এর পর থেকে চলতি জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত মারা যায় ১৭৭ জন।

এ বছর বজ্রাঘাতের হট স্পট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে সিরাজগঞ্জ জেলা। এই জেলায় চলতি বছরের মে ও জুন মাসেই মারা গেছে ১৮ জন। এ ছাড়া চলতি বছরের ৪ মাসে জামালপুরে ১৪ জন, নেত্রকোণায় ১৩ জন, চাপাইনবাবগঞ্জে ১৬ ও চট্টগ্রামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কীটতত্ত্ব বিভাগ ও বজ্রপাত বিশেষজ্ঞ জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার, প্রকৌশলৗ ড. মুনির আহমেদ, রিসার্চ ফেলো, আইডিইবি রিসার্চ ও টেকনোলজিক্যাল ইনস্টিটিউট মো. মনির হোসেনসহ অনেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.