May 20, 2022

মীরও ছাড় দিলেন না নুসরাতকে

শুক্রবার (১১ জুন) তিনি একটি পোস্ট করেন ফেসবুকে। লেখেন, ‘ইউরো কাপ ২০২০-তে আজ ইটালি আর আর একটা দেশের ম্যাচ। যে দেশে কেউ এক জন বিয়ে করেছিলেন, বা করেননি।

সাংসদ-অভিনেত্রী নুসরাত জাহানকে ঘিরে বিনোদন পাড়ায় উত্তেজনা। নিখিল জৈনের সঙ্গে তার সম্পর্কের নাম পাল্টে দিলেন নায়িকা। বিয়েকে রূপ দিলেন ‘লিভ ইন সম্পর্কে’! এরপর থেকেই আক্রমণের থাবা বয়ে যাচ্ছে নুসরাতের ওপর। সে তালিকায় এবার যোগ দিলেন কলকাতার জনপ্রিয় সঞ্চালক, অভিনেতা মীর আফসার আলিও?
শুক্রবার (১১ জুন) তিনি একটি পোস্ট করেন ফেসবুকে। লেখেন, ‘ইউরো কাপ ২০২০-তে আজ ইটালি আর আর একটা দেশের ম্যাচ। যে দেশে কেউ একজন বিয়ে করেছিলেন, বা করেননি।’
শুক্রবার মধ্যরাতে ইউরো কাপে মুখোমুখি হয়েছিল ইটালি এবং তুরস্ক। ইউরো কাপের প্রথম ম্যাচ দেখতে দেখতেই মীর এ পোস্টটি করেন। নাম উল্লেখ না করে তিনি নুসরাতকে নিয়েই মশকরা করেছেন বলে ধারণা নেটাগরিকদের।

এরআগে নুসরাত বলেন, নিখিলের সঙ্গে আমি একসঙ্গে থেকেছি। এটা বিয়ে না। ফলে বিয়ে-বিচ্ছেদের প্রশ্নই ওঠে না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিখিল ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সাফ বলে দেন, আদালতে দেখা হবে।

নিখিল জৈনের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন বলে দাবি সন্তানসম্ভবা নুসরত জাহানের। তুরস্কের বিবাহ আইন ও ভারতে দুই ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের জন্য বিশেষ বিবাহ আইনের যুক্তি দিয়ে সেই কথা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরত।
কিন্তু নুসরাত ও নিখিলের ‘বিয়ে’ বা ‘সহবাস’-এর যা-ই হোক’ কোনোটাই দু’জনের ব্যক্তিগত স্তরে সীমাবদ্ধ নেই আর। এই যুগলকে নিয়ে অন্তর্জালে আলোচনা চরমে। এবার নুসরাতকে ‘ট্রোল’ করতে নামলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও? তার একটি পোস্ট দেখে তেমনই প্রশ্ন জেগেছে নেটিজেনদের।

এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের একটি লাইভে এসে সেই প্রশ্নের জবাব দিলেন শ্রীলেখা।
তৃণমূল সাংসদ নুসরাতের বিবৃতি প্রকাশ পাওয়ার পর বামপন্থী শ্রীলেখা মিত্র ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘বিজেপিতে আমি এতদিন যোগদান করিনি। বিজেপির সঙ্গে লিভ-ইন এ ছিলাম। তাই বিজেপি ছাড়ার কোনো প্রশ্ন ওঠে না। ইতি মুকুল রায়’।

শুক্রবার বিজেপি ছেড়ে ‘ঘর ওয়াপসি’ হয়েছে মুকুল রায় ও শুভ্রাংশুর রায়ের। সেই প্রসঙ্গে পোস্ট দিলেও তাতে নুসরাতকে খোঁটা দিতে ছাড়েননি শ্রীলেখা। তবে কি কোনোভাবে তিনিও অন্যকে ট্রোল করার জোয়ারে গা ভাসালেন?

ট্রোল করার অভিযোগ অস্বীকার করলেন অভিনেত্রী।
শ্রীলেখার কথায়, আমি সত্যি কথা বলেছি। আমি মনে করি, একজন জনপ্রতিনিধি যদি অসততার আশ্রয় নেন, তাহলে সেটা অনুচিত। সেই প্রসঙ্গে আমার পোস্ট। নুসরাতের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমি ভাবি না। কিন্তু এখন তাকে আমি কেবল একজন অভিনেত্রী হিসেবে দেখতে পারছি না। তিনি একজন সাংসদ বটে।
একই সঙ্গে শ্রীলেখার মতে, যদি সব গুজব সত্যি হয়, তবে ‘বিয়ে’ ছেড়ে বেরিয়ে এসে অন্য এক মানুষকে ভালোবেসে, তার সন্তানকে গর্ভে ধারণ করার ঘটনা প্রশংসনীয়।

শ্রীলেখা বললেন, নুসরাত এবং আমার জগৎ একেবারেই আলাদা। কখনোই তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোনো মন্তব্য আমি করব না। এটা আমার স্বভাব না। তাই এটা ট্রোলিং না। অসততার বিরুদ্ধে মুখ খোলা।

শ্রীলেখার প্রশ্ন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং সংসদের রেকর্ড অনুযায়ী তিনি নিখিল জৈনকে বিয়ে করেছেন। আবার এখন বলছেন, তিনি বিবাহিত নন। সে কথা আগে স্বীকার করেননি কেন নুসরাত?

Leave a Reply

Your email address will not be published.